অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায়

অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায়

আপনি কি অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চান? সেজন্য গুগলে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় নিয়ে খোঁজাখুঁজি করছেন। যদি হ্যাঁ হয় তবে এই লেখাটি আপনার জন্য। 

এই লেখাটিতে আমি এই বিষয়টি নিয়ে আপনার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব। এই লেখাটি পড়ে আপনি অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

বর্তমানে অনেকেই অনলাইন থেকে বেশ ভালো পরিমাণে ইনকাম করছে এটা আমরা কমবেশি অনেকেই জানি। তবে বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে ইনকাম করার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

কারণ বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য ১০০ বা তার বেশি উপায় রয়েছে। 

কারোর কাছে একটি ইন্টারনেট সংযোগ সহ একটি কম্পিউটার বা মোবাইল থাকলে যে কেউ যেকোনো জায়গা থেকে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারে।

আমি বিগত পাঁচ বছর ধরে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করছি। এই কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা এবং গবেষণা থেকে আজকের এই পোস্টটি লিখেছি যাতে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে ইচ্ছুক এমন একজন ব্যক্তি এই লেখাটি পড়ে অর্থ উপার্জন শুরু করতে পারেন। 

Table of Contents

অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায়

আমি নিশ্চিত যে এই লেখাটি পড়ে আপনি এমন অনেক টাকা ইনকাম করার উপায় বা পদ্ধতি খুঁজে পাবেন যা আপনার জন্য উপযুক্ত হবে এবং পৃথিবীর যে কোনো জায়গা থেকে প্রতি মাসে কমবেশি ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

যাইহোক এখানে এই লেখাটিকে নাম্বার দিয়ে লিস্ট আকারে করে তৈরি করে নিই যাতে আপনার মতো পাঠকদের লেখাটি পড়তে সুবিধা হয়। 

১. মাইক্রো জব: ছোট কাজের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করুন

যারা অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে চান তাদেরকে প্রথমেই এই কাজটি করতে বলবো। কারণ এই কাজগুলি করতে বিশেষ তেমন কোন দক্ষতার প্রয়োজন হয় না। 

এই মাইক্রো জব হলো কিছু ছোট ছোট কাজ যেমন ভিডিও দেখা, ভিডিওতে কমেন্ট করা, লাইক করা ইত্যাদি।

এই সহজ কিছু কাজ করে ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। কয়েকটি মাইক্রো জব ওয়েবসাইটের নাম হলোঃ

২. ব্লগিং: অনলাইনে লেখালেখি করে টাকা ইনকাম করুন

আপনি যদি মাসে 50 হাজার এর উপরে টাকা ইনকাম করতে চান তবে ব্লগিং হল একমাত্র সহজ ও নিরাপদ পদ্ধতি যা আপনি খুব সহজেই শুরু করতে পারেন।

আমি ব্লগিং করে মাসে ১০ হাজার এর কমবেশি টাকা ইনকাম করছি।

কারণ প্রথমের দিকে ইনকাম হতে একটু সময় লাগে, কিন্তু আপনি ব্লগিং করতে বা অনলাইনে লেখালেখি করতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আপনার কাছে বেশ ভালো পরিমাণে  টাকা আসতে থাকবে। 

তাছাড়া আপনি বিশাল সময়ের স্বাধীনতাও পাবেন কারণ আপনি দিনে তিন থেকে চার ঘণ্টা কাজ করে এই টাকাটি ইনকাম করতে পারবেন।

ব্লগিং শুরু করতে প্রথমেই আপনাকে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে যেখানে আপনি কোন একটি নির্দিষ্ট নিশ বা বিষয়ের উপর লেখালেখি করবেন। যেমন আমি এই লেখাটি লিখেছি একটি ব্লগ ওয়েবসাইটের উপর যা আপনি বর্তমানে পড়ছেন।

কিছুদিনের মধ্যে আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটটিতে দর্শক আসতে শুরু করবে যার মাধ্যমে আপনি গুগল এডসেন্স প্রোগ্রাম বা অ্যাফিলিয়েট এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

সর্বশেষ একটি কথা বলে রাখি ব্লগিং হলো একটি শখের বিষয়, এটি করতে আপনার মধ্যে আবেগ থাকতে হবে।

3. ফ্রিল্যান্সিং গিগ: ফ্রিল্যান্সিং সেবা দেওয়ার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করুন

ফ্রিল্যান্সিং হল ইন্টারনেটে দ্বিতীয় বৃহত্তম সুযোগ যেখানে মানুষ প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারে। 

বর্তমানে অনেকগুলো ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে যেগুলি আপনাকে বিভিন্ন প্রকারের কাজ সরবরাহ করে যা আপনি আপনার গ্রাহকদের জন্য করতে পারেন।

এখানে আপনি আপনার গ্রাহকদের জন্য আর্টিকেল লেখালেখি,ওয়েব ডিজাইনিং, ডাটা এন্ট্রি, এসইও, গ্রাফিক ডিজাইনিং এর মত পরিষেবা সরবরাহ করতে পারেন।

4. ভিডিও ব্লগিং: Youtube ভিডিও তৈরি করে ইনকাম করুন 

ভিডিও ব্লগিং হলো যেখানে আপনি ইউটিউব অন্যান্য ভিডিও শেয়ারিং সাইটে দুর্দান্ত সব ভিডিও তৈরি করে আপলোড করবেন।

আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ভিডিও বানিয়ে আপলোড করতে শুরু করেন তবে ইউটিউবের দর্শকেরা আপনার ভিডিও দেখতে শুরু করবে।

এরপর আপনি google এর সাথে অংশীদারিত্ব করে উপার্জন শুরু করতে পারেন। এভাবেই হাজার হাজার মানুষ youtube থেকে তাদের নিজস্ব চ্যানেল তৈরি করে বেশ ভালো পরিমাণে টাকা আয় করছেন।

5.গুগল এডসেন্স এবং অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক 

Google ই বর্তমানে সবকিছু। আমি আমার মোট আয়ের আশি শতাংশ গুগল থেকে করছি অর্থাৎ গুগল এডসেন্স থেকে করছি।

গুগল এডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করতে হলে আপনার কাছে অবশ্যই একটি ব্লগ ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। যেখানে আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন চালিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

দর্শকেরা যখন আপনার ওয়েবসাইটে বা youtube এ আসে তখন তারা এই অ্যাড বা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে। এই ক্লিকের ভিত্তিতে গুগল আপনাকে প্রাপ্ত টাকা প্রদান করবে। 

তবে আপনি আপনার ব্লগ ওয়েবসাইটিতে গুগল এডসেন্স ছাড়াও অন্যান্য অ্যাড নেটওয়ার্ক এর অ্যাড ব্যবহার করতে পারবেন।

6: নেটওয়ার্ক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং 

নেটওয়ার্ক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো যেখানে আপনি ক্লিকব্যাংক, কমিশন জংশন ইত্যাদি কোম্পানির হয়ে পণ্য বিক্রি করেন।

এই প্রকার কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে আপনি হাজার হাজার কোম্পানির পণ্য বা বিক্রেতা খুঁজে পাবেন যারা তাদের পণ্য বিক্রি করার জন্য মূল ওয়েবসাইটটি তে যুক্ত করে রেখেছে।  

এখান থেকে আপনি আপনার পছন্দমত যে কোন পণ্য বেছে নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটটিতে ওই পণ্যটির লিংক যুক্ত করবেন। 

আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটরেরা যখন দ্বিতীয় কোম্পানিটির পণ্য লিংকে ক্লিক করে পণ্যটি কিনে নেবে তখন ওই প্রথম কোম্পানিটি আপনাকে বিক্রি হওয়া পন্যের উপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন দেবে।

নেটওয়ার্ক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার সুবিধা হল এখানে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির পণ্যকে বিক্রি করে এক জায়গায় টাকা পাবেন।

7. স্বতন্ত্র অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং 

স্বতন্ত্র অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এবং নেটওয়ার্ক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মধ্যে মূল পার্থক্যটি হলো এখানে আপনি নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির পন্য বিক্রি করেন। 

এই প্রকার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে যেই কোম্পানির পণ্য বিক্রি করবেন সেই কোম্পানিটি আপনাকে পেমেন্ট করবে।

সেজন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের নিস বা বিষয় অনুযায়ী অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, হোস্টিংগার এর মত কোম্পানিতে যুক্ত হয়ে পন্য বিক্রি করতে হবে।

8. ইউ আর এল শর্টনার দিয়ে টাকা ইনকাম করুন 

সাধারণত আমরা যদি কাউকে কোন লিংক শেয়ার করি তা সাধারনত আকারে বড় হয়। সেজন্য আমরা এই লিংক গুলির আকার ছোট করতে ইউআরএল শর্টনার জাতীয় টুল ওয়েবসাইট ব্যবহার করে লিংক ছোট করে শেয়ার করি।

তবে বর্তমানে এমন কিছু ইউআরএল শর্টনার ওয়েবসাইট আছে যেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে লিংক শর্ট করে শেয়ার করলে দর্শকেরা লিংকটিতে ক্লিক করলে প্রতি ক্লিকের উপর ভিত্তি করে টাকা প্রদান করে। 

9. অ্যামাজন বা ইবেতে বিক্রি শুরু করুন 

আমরা যখন নতুন অ্যামাজন বা ইবে জাতীয় ই-কমার্স ওয়েবসাইটে পণ্য কিনি তখন মনে করি অ্যামাজন সরাসরি আমাদের পণ্যটি বিক্রি করছে।

এটি আমাদের সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এই পণ্যগুলি বিক্রি সাধারণত আমার আপনার মত কোন ব্যক্তি করে থাকে।

অ্যামাজন বা ইবে এর মত ই-কমার্স সাইটগুলিতে একজন বিক্রেতা হিসাবে যুক্ত হয়ে আপনি আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

এখানে আপনি খুব সহজেই সরাসরি ই-কমার্স ওয়েবসাইটটিতে কাস্টমার পেয়ে যাবেন। সেই সাথে এটি শুরু করা খুবই সহজ তবে প্রথম থেকেই পন্য বিক্রি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 

সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ আমাজনের বিক্রেতা রয়েছে যারা এই সাইটে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে পুরো জীবিকা নির্বাহ করে। 

10. ফ্রিল্যান্স কন্টেন্ট রাইটার হোন

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলিতে ক্লায়েন্টদের জন্য লেখালেখির যে কাজগুলো আপনি করতে পারেন গুলি হল কপিরাইটিং, কনটেন্ট রাইটিং ইত্যাদি।

আপনি খুব সহজেই আপওয়ার্ক, ফাইবার ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলিতে লেখার কাজ খুঁজে পেতে পারেন।

11. রিভিউ লিখুন 

আপনি যে সিনেমা হল, রেস্টুরেন্ট গুলিতে খান বা কোন জায়গায় যান তার জন্য ভালো রিভিউ বা পর্যালোচনা লেখার জন্য টাকা পেতে পারেন। 

এজন্য আপনাকে কোন কোম্পানি বা তৃতীয় পক্ষের কোনো ব্যক্তির জন্য আপনাকে একটি রিভিউ লিখতে হবে। 

12. অনলাইন কনসালটেন্সি বা পরামর্শ প্রদান করুন 

এটি এমন লোকেদের জন্য যারা কোন একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করেছেন। 

ধরুন আপনি একজন শিক্ষক, ডাক্তার বা কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ অথবা প্রশিক্ষক যাই হোন না কেন যার কাছে এমন কোন দক্ষতা আছে যা অন্যের সমস্যার সমাধান করতে পারে তাবে আপনিও অনলাইনে কনসালটেন্সি শুরু করতে পারেন।

আপনি আপনার ব্লগ অথবা ফেসবুক বা youtube এর মাধ্যমে আপনার পরিষেবা গুলি প্রচার শুরু করতে পারেন। আপনি ফোনে বা গুগল মিটের মাধ্যমে কনসালটেন্সি সেবা দিতে পারেন।

13. এসইও(search engine optimization) পরিষেবা দিন

বর্তমানে অনেক সংস্থা বা ব্যবসায়ী ব্যক্তি নিজেদের ওয়েবসাইটটি গুগলের সার্চ রেজাল্টে উচ্চ র‍্যাঙ্ক করাতে কোন এসইও বিশেষজ্ঞকে search engine optimization করার জন্য নিয়োগ করে।

আমি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ হয়ে থাকেন এবং এসইও সম্পর্কে সবকিছু জানেন তবে এটা আপনিও করতে পারেন।

এভাবে আপনিও ব্যবসা শুরু করতে পারেন বা ফ্রিল্যান্সিং পরিষেবা দিয়ে অনলাইন ইনকাম করতে পারেন।

 14. এসইএম বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং পরিষেবা দিন 

অনেক ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা ব্যবসায়ী ব্যক্তিরা নিজেদের পন্যকে দ্রুত এবং প্রচুর পরিমানে বিক্রি করার জন্য নিজেদের ওয়েবসাইটটি টাকা দিয়ে গুগলের সার্চ রেজাল্টে প্রথম র‍্যাঙ্ক করাতে চায়। 

এই কাজটি করতে আপনাকে seo এর সাথে মার্কেটিংও করতে হবে। এই কাজটি করার বর্তমানে খুবই চাহিদা রয়েছে তাই এই কাজটি করে ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

তবে এখানে আপনাকে অবশ্যই গুগল এডওয়ার্ড, facebook অ্যাড, বিং অ্যাড ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ হতে হবে। 

15. ইমেইল মার্কেটিং

ইমেল মার্কেটিংও অন্যান্য মার্কেটিং পদ্ধতি গুলির মত একটি। এখানে আপনাকে আপনার ক্লায়েন্টদের ইমেইলের মাধ্যমে বিক্রয় পত্র প্রেরণ করতে হয়। 

আপনি একটি তালিকায় হাজার হাজার ব্যক্তিকে ইমেইল প্রেরণ করবেন এবং লিড জেনারেট করবেন।

16. ইমেইল তালিকা বিক্রি 

এটি আগেরটি থেকে আলাদা। এখানে আপনি কোন অনলাইন বিপণনকারী বা ব্যবসায়ীকে একটি ইমেইলদার বিক্রি করেন। তবে প্রথমেই আপনার কাছে হাজার হাজার email ডাটাবেস থাকতে হবে যা আপনি কোন অনলাইন ব্যবসায়ীকে বিক্রি করতে পারবেন।

তবে আপনার কাছে থাকা ডেটাবেসটি অবশ্যই তাজা এবং প্রাসঙ্গিক হতে হবে অন্যথায় এটি কেউ কিনবে না। 

17. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 

আপনি যদি facebook, twitter বা youtube এর সাথে ভালোভাবে পরিচিত হন তবে পণ্য বিক্রির জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারেন। 

আপনি শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, একজন বিপণনকারী হয়ে উঠতে পারেন।

সেই সাথে ব্যবসায়ী সংস্থাগুলির সোশ্যাল মিডিয়া বিপণনকারীদের বিশেষ প্রয়োজন হয়।

18. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার

Facebook, twitter, youtube ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়ায় কোম্পানি বা সংস্থাগুলির ক্রিয়াকলাপ পরিচালনা করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়াম ম্যানেজারের প্রয়োজন হয়। 

আপনার অবশ্য ফেসবুকের মত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের বিষয়ে দারুন অভিজ্ঞতা থাকতে হবে যাতে আপনি যে সংস্থার সাথে কাজ করবেন তার জন্য এডভার্টাইজমেন্ট বা প্রচার চালাতে পারেন।

সেই সাথে কোন ব্যবসায়ী সংস্থা বা বড় সেলিব্রেটি ব্যক্তিদের টুইটার একাউন্ট পরিচালনা করার জন্য দুর্দান্ত সুযোগ রয়েছে। যেখানে আপনি তাদের পক্ষ থেকে টুইট করবেন এবং অনুসারীদের প্রতিক্রিয়াগুলি পরিচালনা করবেন।

19. ডোমেইন ফ্লিপিং 

ডোমেইন ফ্লিপিং বা ডোমেইন ক্রয়-বিক্রয় আপনাকে রীতিমতো রাতারাতি ধনী করে তুলতে পারে। আপনি একটি সঠিক নাম বেছে নিয়ে ডোমেইনটি কিনুন। আপনাকে এই ডোমেইন নামটি ব্যবহার করতে হবে না তবে এটি আপনার কাছে রাখুন এবং অন্য একজন ব্যক্তিকে বেশি দামে বিক্রি করুন।

ডোমেইনটি আপনি কেনা দামের দশ থেকে কুড়ি গুন বেশি মূল্যে বিক্রি করতে পারেন। কোন কেন ক্ষেত্রে আপনি একটি ডোমেইন এর উপর হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন।

ডোমেইন কেনার আগে আপনাকে ডোমেইন সম্পর্কে প্রচুর পরিমাণে গবেষণা করতে হবে এবং ডোমেইন ফ্লিপিং সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

20. ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগিন

এমন অনেক সংস্থা আছে যারা ওয়ার্ডপ্রেস থিম এবং প্লাগিন এর সাথে কাজ করতে জানে এমন ব্যক্তিদের থেকে ওয়েবসাইট ডিজাইন এর কাজটি আউটসোর্স করেন। 

আপনি যদি থিম ও প্লাগিন ডেভেলপার হয়ে উঠতে পারেন তবে আপনি আপনার ক্লায়েন্টদের ওয়েবসাইটে থিম ও প্লাগিন সেটআপ করে সরবরাহ করতে পারেন। 

21. ওয়েবসাইট ফ্লিপিং 

ডোমেইন ফ্লিপিং এর মতো আরেকটি একই রকম ব্যবসার সম্ভাবনা হল ওয়েবসাইট ফ্লিপিং। এখানে আপনাকে ডোমেইন এর সাথে সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট ক্রয়-বিক্রয় করতে হবে। 

তবে এই সাইট গুলি বিক্রি করার জন্য ভালো পরিমাণ ট্রাফিক এবং কমপক্ষে ছয় মাসের উপার্জনের ইতিহাস সহ ভালো মানের ওয়েবসাইট হতে হবে। 

আপনি নিজের হাতে ওয়েবসাইট তৈরি করে বিক্রি করতে চান তবে প্রথমে একটি ডোমেইন কিনবেন এবং সেই ডোমেইনটির ওপর নিয়মিত ব্লগ পোস্ট বা কনটেন্ট প্রকাশ করবেন।

সেই সাথে সোশ্যাল মিডিয়া এবং এসইও করার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের প্রচার করবেন। একবার ওয়েবসাইটটিতে ট্রাফিক পেতে শুরু করলে আপনি এই ওয়েবসাইটটি বিক্রি করতে পারেন।

 এরপর ফ্লিপার, এম্পায়ার ফ্লিপার এর মত বিশেষ ওয়েবসাইট আছে যেখানে আপনার তৈরি করা ওয়েবসাইটটি বিক্রি করতে পারেন। 

সেই সাথে এই প্লাটফর্ম গুলো থেকে ওয়েবসাইট কিনতেও পারেন। এখানে আপনি কম দামে ওয়েবসাইট কিনে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।

সর্বশেষ কথাঃ অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায়

হ্যালো বন্ধু, এই ছিল আজকের আমাদের অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায় সম্পর্কিত বিস্তারিত আর্টিকেল। 

এখানে যতগুলো সম্ভব অনলাইন থেকে ইনকাম করার উপায় আছে তা আপনার সামনে তুলে ধরেছি, ভবিষ্যতে আরো অনলাইন থেকে ইনকামের সহজ উপায় গুলো এই লেখাটির মধ্যে যুক্ত করার চেষ্টা করবো।

তবে আপনাকে একটা কথা বলে রাখবো, প্রথমেই কাজ শুরু করে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আপনি কিছুদিন কাজ করার পর সেই কাজটির ওপর নিজের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে নিয়ে বেশ ভালো পরিমাণে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন। 

সেই সাথে আপনি কোন বিষয়টি বেছে নিয়ে আপনার অনলাইন ইনকামের যাত্রা শুরু করছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ কারণ কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনাকে দ্রুত টাকা এনে দেবে কিন্তু এর মাধ্যমে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারবেন না অপরদিকে কিছু টাকা ইনকাম করার উপায় আছে যেগুলি মাধ্যমে আপনি আপনার ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন সেজন্য আপনি কোন বিষয়টি বেছে নিচ্ছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

যেমন আপনি যদি ব্লগিং শুরু করেন তবে প্রথমের দিকে ছয় মাস মতো সময় টাকা পাবেন না কারণ এই সময়ে ব্লগটিতে আর্টিকেল লিখে ছোট থেকে বড় করতে হয়। এরপর ব্লগ দিতে যখন ট্রাফিক আসতে শুরু করে তখন আপনার ব্লগের ভিজিটর বা ট্রাফিকের ভিত্তিতে আপনি মাসে ৫০ হাজারের উপরে ইনকাম করতে পারবেন।

অপরদিকে আপনি রিভিউ লেখা বা মাইক্রো জব জাতীয় কাজগুলি করে শুধুমাত্র আপনার প্রয়োজন মতো পকেট মানি ইনকাম করতে পারবেন তবে দ্রুত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

যাই হোক, আশা করি অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় – অনলাইনে ইনকাম করার 100 টি সহজ উপায় সম্পর্কিত আর্টিকেলটি আপনার অনলাইন ইনকাম করার যাত্রা শুরু করতে বিশেষ উপকারে আসবে।

সবশেষে বলবো আপনি যদি অনলাইন ইনকাম সম্পর্কিত বিস্তারিত বিষয়ে জানতে চান তবে এই ওয়েবসাইটটির হোম পেজে গিয়ে অনলাইন ইনকাম ক্যাটাগরির লেখাগুলো পড়তে পারেন। 

Rate this post

হ্যালো আমি অমিত মন্ডল। বর্তমানে ব্লগিং এর সাথে ইউটিউবেও কাজ করি। লেখালেখির মাধ্যমে নিজেকে পরিবর্তন করছি। বর্তমানে নতুন কিছু শেখার সাথে সাথে অন্যকেও শেখানোর চেষ্টা করছি।

Leave a Comment